‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির আওতায় ১৪ অগাস্ট ২০২৬ শুক্রবার ভট্টর কলেজ (স্বশাসিত) এর আয়োজনে সমবেত কন্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ সঙ্গীত গাওয়া হয়। কলেজের সমস্ত অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, শিক্ষাকর্মীগণ এবং ছাত্রছাত্রীবৃন্দ এই সমবেত সঙ্গীতে অংশগ্রহণ করেন।
‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির আওতায় ১৪ অগাস্ট ২০২৬ শুক্রবার ভট্টর কলেজ (স্বশাসিত) N.S.S. এবং Physical Education Department এর আয়োজনে একটি সাইকেল Rally এর আয়োজন করা হয়। কলেজের সমস্ত অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, শিক্ষাকর্মীগণ এবং ছাত্রছাত্রীবৃন্দ এই Rallyতে অংশগ্রহণ করেন।
ভট্টর কলেজ, দাঁতন (স্বশাসিত) এর উদ্যোগে ১৯৪৭ এর ১৪ ই আগস্টের দেশভাগকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হল ‘বাংলা বিভাজন দিবস ও তাঁর স্মৃতিচারণা’ নামক একটি আলোচনা সভা শুক্রবার ১৪ অগাস্ট, ২০২৬ এ। দেশভাগ নিছক ভৌগোলিক বিভাজন নয় মানুষের আবেগের বিভাজন, সংস্কৃতির বিভাজন ও ঐতিহ্যের বিভাজন। দেশভাগের যন্ত্রণা ও তাঁর মানবসমাজের ওপর বিভাজনের প্রভাব ও এই দিবসের প্র|সঙ্গিকতা নিয়ে ভূমিকা প্রদান করেন অধ্যাপক প্রণব বর্মণ। বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষিতে ঔপনিবেশিক ভারতের বিভাজন কেমন করে অনিবার্য হয়ে ওঠে – তা আলোচনাসভার স্বাগত ভাষণের মাধ্যমে প্রাঞ্জলভাবে তুলে ধরেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড.তরুণ তাপস মুখার্জী। দেশভাগের কথা জানার একমাত্র উপায় হয়ে ওঠে সাহিত্য বা চলচিত্র জগৎ। সেখানে এই আলোচনা সভার মূল বিষয় ছিল দেশভাগ ও উদ্বাস্তু জীবনের চাক্ষুষ অভিজ্ঞতার কথা। বিষয়টি তুলে ধরেন শরশঙ্কা কলোনির অধিবাসী শ্রী অমূল্যচরণ দাস। স্মৃতিচারণায় উঠে আসে ক্যাম্প জীবন, কলোনি জীবন ও উদ্বাস্তু থেকে ভারতীয় হয়ে ওঠার কথা। এর সাথে ওপার বাংলা (পূর্ববঙ্গ) থেকে এপার বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গ) এসে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নতুন জীবন গড়ার গল্প তুলে ধরেন। এর সাথে সংবাদপত্রে প্রকাশিত দেশভাগের ফলে আগত উদ্বাস্তু ছবি আলোচনা সভায় প্রদর্শন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানে সফলতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশ করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন দর্শন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অমল চট্টোপাধ্যায়।







