এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অন্যতম পথিকৃৎ, মাননীয় অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. গিরিধারী পণ্ডা মহাশয় এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশিয়াড়ি বিধানসভার মাননীয় বিধায়ক শ্রী ভদ্র হেমব্রম মহাশয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলেজের অন্যান্য শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক ও অধ্যাপিকামণ্ডলী।
সৌহার্দ্য, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর চিরন্তন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। বিশেষভাবে আলোচিত হয় আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাচীন গুরু-শিষ্য পরম্পরা, যেখানে শিক্ষা কেবলমাত্র পুঁথিগত জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম ছিল না; বরং জ্ঞান, মূল্যবোধ, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার বিকাশই ছিল শিক্ষার মূল লক্ষ্য। গুরু ও শিষ্যের সেই আত্মিক সম্পর্ক আজও আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থার এক অনন্য আদর্শ।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদয়স্পর্শী। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত বিভিন্ন মনোজ্ঞ ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপস্থিত সকলের কাছে বিশেষভাবে চিত্তাকর্ষক হয়ে ওঠে এবং অনুষ্ঠানের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সুন্দর সম্পর্কের মধ্য দিয়েই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রকৃত অর্থে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে — এই বার্তাই যেন অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিফলিত হয়েছে।
ছাত্র পরিষদের আন্তরিক উদ্যোগ, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি এবং অতিথিবর্গের মূল্যবান বক্তব্যে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠেছিল এক স্মরণীয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও অনুপ্রেরণাময় মিলনোৎসব।
শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা, শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।







